আমার এক ক্যানাডিয়ান সহকর্মী আলাপ করছিল, ওর বাবামার যখন বিয়ে হয় তখন ওর মায়ের বয়স আঠারো আর বাবার বয়স বিশ। বিয়ের তিনমাসের মাথায় ওর বড়বোনের জন্ম। বোঝাই যায় বিয়েটা ছিল সামাজিকতা রক্ষার তাগিদে, সুখের টানে নয়। বিয়ের পর ওর বাবা সংসারের দায়িত্বের চাপে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে ব্যার্থ হয়, ওর মা পড়াশোনা করে উকিল হন। এক পর্যায়ে এই শিক্ষিতা, স্মার্ট এবং মোটা টাকা উপার্জনকারী মহিলার এই অশিক্ষিত এবং স্বল্প উপার্জনকারী স্বামীকে নিজের সাথে বড় বেমানান মনে হতে থাকে। বিয়ের একুশ বছর পর স্ত্রী এক পুরুষকে এবং স্বামী আরেক মহিলাকে নিয়ে আলাদা হয়ে যান। আমার সহকর্মী মেয়েটির বয়স তখন সতেরো। সতেরো বছর বয়সে সে অভিভাবকহীন হয়ে পড়ে। এ’সময় থেকে সে অসহায়ত্ব এবং একাকীত্ব থেকে মুক্তি পেতে এক বয়ফ্রেন্ড থেকে আরেক বয়ফ্রেন্ডের আশ্রয় নিতে থাকে। তবে গত বারো বছর যাবত সে একজনের সাথে বসবাস করছে। আমার চাইনিজ বান্ধবী জেইন বলল, ‘তুমি তাকে বিয়ে করলেই পারো’। সে বলে, ‘পাগল! আমার মায়ের ডিভোর্স হয়ে যাবার পর আমি কিছুদিন জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি পারিবারিক আইন অফিসে কাজ করেছি। সেখানে আমার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে এমন সব ভীতিকর অভিজ্ঞতা হয়েছে যে আমি তখনই সিদ্ধান্ত নেই আমি কোনদিন বিয়ে করবনা’। ওর বড়বোনের বিয়ে হোল মাত্র ক’দিন আগে। বিবাহভীতি কাটিয়ে উঠতে উঠতে তাঁর বেয়াল্লিশ বছর বয়স হয়ে যায়। এখন তিনি বিবাহিত হলেও সন্তানধারনে অক্ষম হয়ে পড়েছেন। আমার সহকর্মীরও সন্তান নেয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এমন উপাখ্যান এখানকার ঘরে ঘরে। সচেতন বাবামায়েরা সন্তানদের চার্চে নিয়ে গিয়ে প্রতিজ্ঞা করান তারা বিয়ের আগে পর্যন্ত কুমারী থাকবে যেন বুঝেশুনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার অবকাশ থাকে এবং এমন দুঃখজনক পরিণতি এড়ানো যায়। কিন্তু প্রচলিত সমাজব্যাবস্থা এবং দৃঢ় নৈতিক বন্ধনের অভাবের কারণে অনেকেই এই প্রতিজ্ঞা শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারেনা। ফলে ভুগতে হয় সারাজীবন।
প্রেম একটি অসাধারন এবং মোহময় অনুভূতি। সেদিন দেখলাম এক বুড়ো দাদা যিনি নিজেই সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেন না, ওষুধের দোকান থেকে বেরিয়ে একহাতে তাঁর বৃদ্ধা স্ত্রীকে শক্ত করে ধরে আরেক হাত মাথার ওপর দিয়ে অতি সাবধানে গাড়ীতে বসিয়ে দিচ্ছেন যেন তিনি পিঠে ব্যাথা না পান, আবার পিঠ সোজা রাখতে গিয়ে মাথায় বাড়ি না খান। একইভাবে আমরা যখন গর্ভবতী স্ত্রীর পাশে চিন্তাক্লিষ্ট স্বামীটিকে অস্থিরভাবে পায়চারী করতে দেখি কিংবা সুন্দরী হবু স্ত্রীর দিকে তাকাতে গিয়েও যুবকটিকে চোখে নামিয়ে নিতে দেখি তাতে যে ভালোবাসা প্রকাশ পায় তা যেকোন হৃদয়কেই আপ্লুত করে।
কিন্তু প্রেমের সবটুকুই দৃষ্টিনন্দন নয়। এর একটি পাশবিক দিকও আছে যেটি বন্ধ দরজার আড়ালেই পরিতৃপ্ত করা শ্রেয়। যেমন ক’দিন আগে কাজে যাবার পথে দেখি এক ট্রেন মানুষের সামনে, যেখানে কয়েকমাসের শিশু থেকে কয়েক দশকের বৃদ্ধরাও আছেন, দু’জন যুবক যুবতী নিজেদের একটিমাত্র জ্যাকেট দিয়ে ঢেকে শারীরিক প্রয়োজন পূরণ করছে! ঘটনাটি এতটাই পশুপ্রবৃত্তি প্রকাশক ছিল যে দৃশ্যটি এমনকি কোন নিম্নতর রুচির মানুষের কাছেও উপভোগ্য ছিলোনা বরং সবাই হতভম্ব এবং বিরক্ত হলেও এই ব্যাপারে আইনত কারো কিছু করার নেই বলেই কেউ বাঁধা দিতে পারছিলোনা। ভাবছিলাম, এরা কি করে পারে দাদাদাদীর বয়সী লোকজনের সামনে এত নির্লজ্জ হতে? কিন্তু ব্যাপারটা আসলে সহজবোধ্য।
মানুষের বংশরক্ষার তাগিদেই সৃষ্টিকর্তা এই জৈবিক তাড়না মানুষের মাঝে দিয়ে দিয়েছেন। নইলে কে সেধে স্ত্রীপুত্রকন্যার দায়িত্ব মাথায় নিত? কেইবা বুঝেশুনে সারাজীবন ধরে এতগুলো মানুষের জন্য প্রতিবেলা রান্না করা, কাপড় ধোয়া, ঘর পরিস্কার করার কাজ করত? এটি ক্ষুধা কিংবা তৃষ্ণার চেয়ে অধিক বা অস্বাভাবিক কোন ব্যাপার নয়। তবে তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে, সমস্ত সৃষ্টিকুল হতে স্বতন্ত্র এবং বিশেষায়িত করে। প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ব্যাপারে আমরা এই পার্থক্য দেখতে পাই। যেমন পশুদের মাঝে পুরুষ প্রানী অধিকতর সুন্দর, মানুষের মাঝে নারী; বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ করেছেন পশুরা বাঁহাতি কিন্তু মানুষকে তাদের প্রভু বলে দিয়েছেন ডানহাতে অধিকাংশ কাজ করতে; পশুরা কাঁচা খাবার খায় আর মানুষ খায় সেদ্ধ করে। একইভাবে পশুরা বাড়ীঘর না থাকায় সর্বসমক্ষে কামপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করতে বাধ্য হলেও মানুষকে বলা হয়েছে এর জন্য বিশেষ পন্থা এবং পদ্ধতি অবলম্বন করতে যেন এর মাধ্যমে যে জীবন পৃথিবীতে আগমন করবে তা বেড়ে ওঠার একটি সুস্থ এবং সুষ্ঠু পরিবেশ পায়।
এই প্রক্রিয়াকে সহজ এবং স্বাভাবিক করার জন্যই সৃষ্টিকর্তা নির্দেশ দিয়েছেন নিজেকে সর্বসমক্ষে কামনার বস্তুরূপে উপস্থাপন না করে নিজের আকর্ষনী শক্তিকে আড়াল করে রাখতে। চাহিদার সৃষ্টি দৃষ্টি থেকে। আমরা যদি না জানি বাসায় মিষ্টি আছে, আমাদের মিষ্টি না খেলেও দিব্যি দিন কেটে যায়। কিন্তু টেবিলের ওপর মিষ্টি আছে অথচ আমি খাবনা তা কি হয়? যদি বলেন, ‘তোমার ডায়াবেটিস, খেলে ক্ষতি হবে’, উত্তর আসবে, ‘আরে ডাক্তার কি জানে? আগে তো খেয়ে নেই, তারপর দেখা যাবে যা হবার হবে!’ একটি মেয়ের সৌন্দর্য যদি কেউ না দেখে তাহলে কেউ জানবেনা মেয়েটি কতটা আকর্ষনীয় এবং তার সবটুকু আবেদন সংরক্ষিত হবে তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিটির জন্য। আবার যে মেয়েটির পুরুষদের সাথে মেলামেশা স্বল্প পরিসরে সে স্বামীর প্রতিটি সদ্গুনকেই অ্যাপ্রিশিয়েট করতে পারবে। কিন্তু যে মেয়েটি বহু পুরুষের সাথে মিশে অভ্যস্ত সে বিয়ের পর প্রতিটি মূহূর্ত মনে মনে তুলনা করবে আমার স্বামী দেখতে অমুকের মত সুন্দর না, তমুকের মত সুন্দর করে কথাবার্তা বলতে জানেনা, অমুকের মত গাইতে জানেনা, তমুকের মত স্মার্ট নয়, অমুকের মত বিত্তশালী নয় কিংবা তমুকের মত শক্তিশালী নয় - তখন মনের আক্ষেপ দূর করে সেই লোককে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা কঠিন ব্যাপার বৈকি!
যার আকর্ষনী শক্তি সর্বসাধারনের জন্য উন্মুক্ত সে নিজেও ভুলের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। একটি প্রজাপতি উড়ে এলে তার সৌন্দর্য যাচাই বাছাই কিংবা পরখ করে নেয়া যায়, কিন্তু ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল উড়ে এলে আর বাছাই করার সুযোগ থাকেনা। প্রজাপতিকে মানুষ যত্ন করে ঘরের দেয়ালে বসতে দেয় কিন্তু কারো ঘরে পঙ্গপাল প্রবেশ করবে তা মানুষ দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেনা। নিজেকে প্রদর্শনীতে দিয়ে সাড়া পেলে প্রথম প্রথম সবারই ভাল লাগে। কিন্তু তারপর যখন ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল এসে চারিদিকে ঘিরে ফেলে তখন আর সামাল দিয়ে ওঠা যায়না। তাই এদের জৈবিক তাড়না চরিতার্থ করার কোন নির্দিষ্ট স্থান থাকেনা, কোন বৈধ পন্থাও থাকেনা যেহেতু এরা কেবল ভোগ করতে চায় কিন্তু দায়িত্ব নিতে চায়না। এই চাহিদাপূরনের ফলাফল হিসেবে যে সন্তানের জন্ম হয় তারও কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা গড়ে ওঠেনা কারণ সে কেবল একটি জৈবিক প্রক্রিয়ায় ফলাফল, কাঙ্খিত নয় মোটেই। অথচ এই পৃথিবীতে আসার পেছনে বেচারার না হাত ছিল, না ছিল ইচ্ছা। শুরু হয় আরেকটি কষ্টের উপাখ্যান।
খুব কম মানুষের বোধের আয়নায় এই সত্য প্রতিফলিত হয় যে প্রেম কেবল জৈবিক তাড়নার বহিঃপ্রকাশ নয় বরং একটি পবিত্র মানসিক বন্ধন। এই বন্ধনকে মজবুত করার জন্য একে একটি সামাজিক রূপ দেয়া জরুরী যাতে উভয়পক্ষের সামাজিক নিরাপত্তা এবং অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান হয়। তাই প্রেমের সৃষ্টিকর্তা প্রনীত এবং সবচেয়ে শ্বাশ্বত রূপ বিয়ে। এর অর্থ এই নয় যে বিয়ে করলে কোন সমস্যাই হবেনা। দু’জন মানবমানবী যারা দু’টি ভিন্ন ভিন্ন অঙ্গনে পৃথক পৃথক পরিবেশে বেড়ে উঠেছে তারা মিলিত হলেও দু’টি নদীর মতই সমান্তরালে বহমান থাকবে, একীভূত হবেনা। কিন্তু একটি বিবাহিত দম্পতিকে তাদের পরিবার পরিজন বন্ধু বান্ধব থেকে সম্পূর্ন অপরিচিত লোকজন পর্যন্ত একত্রে বসবাস করতে, নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে সহযোগিতা করে। অপরদিকে একটি অনৈতিক বন্ধনে জড়িত দুই ব্যাক্তি - যাদের সম্পর্কের কোন গন্তব্য নেই, কোন উদ্দেশ্য নেই শুধু নিজেদের চাহিদা পূরণ করা ব্যাতীত - হাতেগোনা কিছু লোকজন ছাড়া কেউ সাহায্য করেনা। ফলে ঠুনকো সম্পর্কটি জোরদার হবার কোন ভিত্তি খুঁজে পায়না। নাটকে সিনেমায় এমন সম্পর্কগুলোর ট্রাজেডি, কমপ্লিকেশন কিংবা হঠাৎ করে সব মেঘ কেটে গিয়ে সূর্য হেসে ওঠা দেখতে যতই ভাল লাগুক না কেন বাস্তবে কেউ এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে চায়না, বাস্তবে এমন আলৌকিকভাবে সমস্যার সমাধান কমই ঘটে।
সুতরাং, আমরা সাবধান হই। একটিমাত্র জীবন আমাদের। ক্ষণিকের আনন্দের জন্য আমরা যেন আত্মনিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে পাহাড়ের ওপর থেকে গিরিখাদে ধারালো পাথরের ওপর আছড়ে পড়ে জীবনাবসানকে বেছে না নেই। বরং আমাদের পছন্দগুলোর ভিত্তি হোক মানবিক গুনের সমাহার, বিশ্বাসের একাত্মতা, পারস্পরিক সম্মানবোধ এবং প্রতিকুলতায় বন্ধুত্বের ছায়া যেন বার্ধক্যের দিনগুলোতে আমরা পরস্পরের হাত ধরে অস্তমিত সূর্যের দিকে হেঁটে যেতে পারি এই প্রগাঢ় বিশ্বাসে যে ওপাড়েও সে আমার হাত ছেড়ে দেবেনা।
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/3047/rehnuma/20069#.U0lIgfldVvB
Saturday, April 12, 2014
এই কামপ্রচারণার সমাজে যখন বিয়ে এক দুঃসাধ্য কঠিন কাজ তখন কী করবে মুসলিম তরুণ-তরুণীরা?
আমরা জানি এই কামপ্রচারণার সমাজে চরিত্র রক্ষা একটা বড় কঠিন পরীক্ষা। চরিত্র রক্ষা তো ঈমানের বড় পরীক্ষা ও দায়িত্ব। তাই, বিয়ের জন্য অনুপ্রাণিত করি আমরা। তবে একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, হতাশ হবেন না, 'লা তাহযান'। মনে রাখবেন, আল্লাহ আপনার জন্য, আমার জন্য, আমাদের জন্য যা নির্ধারিত রেখেছেন--সেটাই হয়েছে, সেটাই হবে। মনে রাখবেন, আল্লাহ যা নির্ধারিত রেখেছেন, গোটা পৃথিবীর সবাই মিলে চাইলেও আপনাকে তা পাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারবেন না। আল্লাহ যা আপনাকে দিবেন না, তা গোটা পৃথিবী চাইলেও আপনাকে তুলে দিতে পারবে না।
নষ্ট আর ক্ষয়ে যাওয়া এই জঘন্য সংস্কৃতির সমাজকে পরিবর্তন করে উন্নত করতে আমাদের যতটুকুই অবদান থাকবে, আল্লাহ ইনশা আল্লাহ কল্পনাতীত উপায়ে আমাদেরকে তার বিনিময় দিবেন। ঈমানদার মানেই তার সবকিছু সহজ হবে এমন না। ঈমানদারদের জীবন হবে পরীক্ষাময়। আজকের পৃথিবীতে বিয়ে যেমন কঠিন হয়েছে, এই পরীক্ষায় আমাদের কৃতকার্য হতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে। বিয়ে করলেই যে জীবন সহজ হয়ে যায়, তা কিন্তু নয়। দ্বীনদার পাত্র কিংবা পাত্রী পাওয়া কিন্তু যথেষ্টই কঠিন। ভুল বিয়ের চেয়ে বিয়ে দেরি হওয়া কম কল্যাণকর নয়। ভুল লোকের সাথে বিয়ে হয়ে অনেক মানুষের জীবনেই দুর্ভোগের শেষ নেই তা আশেপাশে তাকালেই আমরা প্রায় সবাই দেখতে পাই। কে জানে হয়ত এই কঠিন সময়ে বিয়ে না হওয়ার মাঝেই আল্লাহ অবিবাহিত ভাইবোনদের জন্য কল্যাণ রেখে দিয়েছিলেন। আলিমুল গাইব তো একমাত্র আল্লাহই। তার সাথে অন্তরকে লাগিয়ে রাখুন,তার কাছে দোয়া করতে থাকুন। তিনি আপনাকে পথ দেখাবেন। তিনি আপনাকে দুনিয়া আর আখিরাতে শ্রেষ্ঠ রিযিক দান করবেন, ইনশা আল্লাহ আপনার জন্য সেরা জীবনসঙ্গী সঠিক সময়ে হাজির হবে।
আল্লাহ আমাদেরকে উত্তম, চোখ শীতলকরা জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী দান করুন।আল্লাহ আমাদেরকে একটি সুন্দর ইসলামী সমাজ গঠনের জন্য কবুল করে নিন। আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে দ্বীনদার আর মুত্তাকী করে গড়ে তুলতে সক্ষম উত্তম বাবা-মা দান করুন। নিশ্চয়ই সমস্ত ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কারো কোন ক্ষমতা নেই।
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/7017/safwanism/41983#.U0fgEvldVvB
নষ্ট আর ক্ষয়ে যাওয়া এই জঘন্য সংস্কৃতির সমাজকে পরিবর্তন করে উন্নত করতে আমাদের যতটুকুই অবদান থাকবে, আল্লাহ ইনশা আল্লাহ কল্পনাতীত উপায়ে আমাদেরকে তার বিনিময় দিবেন। ঈমানদার মানেই তার সবকিছু সহজ হবে এমন না। ঈমানদারদের জীবন হবে পরীক্ষাময়। আজকের পৃথিবীতে বিয়ে যেমন কঠিন হয়েছে, এই পরীক্ষায় আমাদের কৃতকার্য হতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে। বিয়ে করলেই যে জীবন সহজ হয়ে যায়, তা কিন্তু নয়। দ্বীনদার পাত্র কিংবা পাত্রী পাওয়া কিন্তু যথেষ্টই কঠিন। ভুল বিয়ের চেয়ে বিয়ে দেরি হওয়া কম কল্যাণকর নয়। ভুল লোকের সাথে বিয়ে হয়ে অনেক মানুষের জীবনেই দুর্ভোগের শেষ নেই তা আশেপাশে তাকালেই আমরা প্রায় সবাই দেখতে পাই। কে জানে হয়ত এই কঠিন সময়ে বিয়ে না হওয়ার মাঝেই আল্লাহ অবিবাহিত ভাইবোনদের জন্য কল্যাণ রেখে দিয়েছিলেন। আলিমুল গাইব তো একমাত্র আল্লাহই। তার সাথে অন্তরকে লাগিয়ে রাখুন,তার কাছে দোয়া করতে থাকুন। তিনি আপনাকে পথ দেখাবেন। তিনি আপনাকে দুনিয়া আর আখিরাতে শ্রেষ্ঠ রিযিক দান করবেন, ইনশা আল্লাহ আপনার জন্য সেরা জীবনসঙ্গী সঠিক সময়ে হাজির হবে।
আল্লাহ আমাদেরকে উত্তম, চোখ শীতলকরা জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী দান করুন।আল্লাহ আমাদেরকে একটি সুন্দর ইসলামী সমাজ গঠনের জন্য কবুল করে নিন। আল্লাহ আমাদের সন্তানদেরকে দ্বীনদার আর মুত্তাকী করে গড়ে তুলতে সক্ষম উত্তম বাবা-মা দান করুন। নিশ্চয়ই সমস্ত ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কারো কোন ক্ষমতা নেই।
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/7017/safwanism/41983#.U0fgEvldVvB
বিয়ের আগে দু'জনার মিল কতটুকু তা কি হিসেব করছেন?
বিয়ের প্রয়োজন হিসেবে "সেইম মুভি, সেইম মিউজিশিয়ান" মিল নিয়ে বিয়ে করার টিপস পেতে পারেন অনেক পশ্চিমা ম্যারেজ অ্যাডভাইসে। মুসলিমদের এত ক্যাচালের প্রয়োজন হয় না। আপনি আল্লাহর জন্য জীবন যাপন করতে চান, তখন যতই অমিল থাকুক, কুরআন এবং সুন্নাহতে ফিরে আসবেন এবং সমস্যার সমাধান মিলে যাবেই ইনশা আল্লাহ।
তবে দু'জনে ইসলামকে *কীভাবে বুঝেন* সেইটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারো কাছে অনেক কিছুই 'কোন ব্যাপার নাহ', শাহবাগী একটা মেয়ের ইসলামের বুঝ নিশ্চয়ই একজন প্রকৃত মুসলিম ভাইয়ের বুঝের মতন না, সত্য এবং মিথ্যা কখনই এক না। শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বেড়ানো এবং ভ্যালেন্টাইন ডে'তে বিশ্বাসী শাহবাগী ছেলের সাথে কোন মুসলিমাহ বোনের মিল হতে পারে না। তাই, খেয়াল করে নিবেন যেন নামমাত্র মুসলিম যেন না হয়, শিরক এবং কুফরের সাথে জড়িয়ে থাকা কাউকে আপনি ভুলে জীবনসঙ্গী হিসেবে নিতে যাচ্ছেন কিনা।
ইসলাম খুব সহজ। ইসলাম সহজতম এবং সুন্দরতম বিধান। আল্লাহ আমাদেরকে ভার হালকা করতে চান, তাই তিনি বিধান দিয়েছেন। শিরক, কুফর এবং বিদয়াত থেকে দূরে থাকা ছেলেমেয়েদের তাই জীবন এমনিতেই সহজ। আল্লাহ আমাদের ভাই ও বোনদেরকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দিন এবং তাদের জীবনকে কবুল করে নিন, তাদের সুন্দর দাম্পত্য জীবন দান করুন।
নিজে উপযুক্ত যোগ্যতা অর্জন না করে ভালো পার্টনারের আশা করা হচ্ছে আকাশ কুসুম কল্পনা...
ভালো হাজব্যান্ড বা ভালো ওয়াইফের স্বপ্ন দেখলেই হয়না, তার জন্য নিজেও যোগ্য হতে হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামায সময়মত আদায় করা, দৈনন্দিন জীবনের চলার পথে প্রয়োজনীয় ফিকহী মাসয়ালা জানা, দাড়ি রাখা বা নিকাব/হিজাব পরা, মিথ্যা না বলা, গীবত না করা, গাইর-মাহরাম ছেলে/মেয়েদের সাথে আড্ডাবাজি না করার মতন আরো অনেক অনেক বিষয় আছে যা একটা মুসলিম ছেলেমেয়ের থাকা উচিত।
একটা ক্ষুদ্রতম উদাহরণ দেই,
আল্লাহর নিয়ম মেনে চলা একটা নিকাবী মেয়ে যদি দেখতে পায় যে তার সম্ভাব্য লাইফ-পার্টনার নায়িকা/গায়িকাদের পেইজে লাইক দিয়ে রেখেছেন, তাদের ছবিতে লাইক দেন -- তার কাছে তা কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে ভেবেছেন?
যিনি সংযত আর যিনি যাচ্ছেতাই, তারা দু'জন সমান নন। আপনি নিজে যেমনটা পেতে ভালোবাসেন, তেমনটা দিতে চেষ্টা করুন... তবেই তা সঠিক হবে।
আগে যোগ্য হউন, পরে আশা করুন।
FIRST DESERVE, THEN DESIRE.
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/7017/safwanism/39748#.U0fgD_ldVvB
তবে দু'জনে ইসলামকে *কীভাবে বুঝেন* সেইটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারো কাছে অনেক কিছুই 'কোন ব্যাপার নাহ', শাহবাগী একটা মেয়ের ইসলামের বুঝ নিশ্চয়ই একজন প্রকৃত মুসলিম ভাইয়ের বুঝের মতন না, সত্য এবং মিথ্যা কখনই এক না। শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বেড়ানো এবং ভ্যালেন্টাইন ডে'তে বিশ্বাসী শাহবাগী ছেলের সাথে কোন মুসলিমাহ বোনের মিল হতে পারে না। তাই, খেয়াল করে নিবেন যেন নামমাত্র মুসলিম যেন না হয়, শিরক এবং কুফরের সাথে জড়িয়ে থাকা কাউকে আপনি ভুলে জীবনসঙ্গী হিসেবে নিতে যাচ্ছেন কিনা।
ইসলাম খুব সহজ। ইসলাম সহজতম এবং সুন্দরতম বিধান। আল্লাহ আমাদেরকে ভার হালকা করতে চান, তাই তিনি বিধান দিয়েছেন। শিরক, কুফর এবং বিদয়াত থেকে দূরে থাকা ছেলেমেয়েদের তাই জীবন এমনিতেই সহজ। আল্লাহ আমাদের ভাই ও বোনদেরকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দিন এবং তাদের জীবনকে কবুল করে নিন, তাদের সুন্দর দাম্পত্য জীবন দান করুন।
নিজে উপযুক্ত যোগ্যতা অর্জন না করে ভালো পার্টনারের আশা করা হচ্ছে আকাশ কুসুম কল্পনা...
ভালো হাজব্যান্ড বা ভালো ওয়াইফের স্বপ্ন দেখলেই হয়না, তার জন্য নিজেও যোগ্য হতে হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামায সময়মত আদায় করা, দৈনন্দিন জীবনের চলার পথে প্রয়োজনীয় ফিকহী মাসয়ালা জানা, দাড়ি রাখা বা নিকাব/হিজাব পরা, মিথ্যা না বলা, গীবত না করা, গাইর-মাহরাম ছেলে/মেয়েদের সাথে আড্ডাবাজি না করার মতন আরো অনেক অনেক বিষয় আছে যা একটা মুসলিম ছেলেমেয়ের থাকা উচিত।
একটা ক্ষুদ্রতম উদাহরণ দেই,
আল্লাহর নিয়ম মেনে চলা একটা নিকাবী মেয়ে যদি দেখতে পায় যে তার সম্ভাব্য লাইফ-পার্টনার নায়িকা/গায়িকাদের পেইজে লাইক দিয়ে রেখেছেন, তাদের ছবিতে লাইক দেন -- তার কাছে তা কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে ভেবেছেন?
যিনি সংযত আর যিনি যাচ্ছেতাই, তারা দু'জন সমান নন। আপনি নিজে যেমনটা পেতে ভালোবাসেন, তেমনটা দিতে চেষ্টা করুন... তবেই তা সঠিক হবে।
আগে যোগ্য হউন, পরে আশা করুন।
FIRST DESERVE, THEN DESIRE.
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/7017/safwanism/39748#.U0fgD_ldVvB
Friday, April 11, 2014
জীবনসঙ্গী খুঁজছেন কিন্তু পাচ্ছেন না? তবে আপনাকেই বলছি
চারপাশে সবাই বিভিন্ন দিবসের নামে সেজেগুজে বেড়াচ্ছে... প্রচুর ছেলে দেখা যায়, প্রচুর মেয়ে দেখা যায়। কিন্তু আপনার জীবনসঙ্গী হবার মতন কোন মানুষকে আপনি মনে মনে হলেও কোথাও খুঁজে পান না, তাইনা? হয়ত ভাবছেন, কোথায় পাবেন আপনার মানুষটাকে, কে খুঁজে দেবে আপনার উপযুক্ত জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী?
জ্বি, আপনাকেই বলছি। আপনি কি আল্লাহর বান্দা বলে নিজেকে স্বীকার করে নিয়েছেন? আপনি কি আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মানতে প্রতি ওয়াক্তে আজানের পরে ত্রস্তব্যস্ত হয়ে নামাজের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন প্রতিদিন?
তাহলে আপনার প্রশ্নটির উত্তর আছে। যেই আপনি আজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আগামী সপ্তাহে কোন বেলায় কী খাবেন সেই বিষয়ে কোন ধারণা না থাকলেও টেনশন ছাড়াই ঘুমাতে যাচ্ছেন, কেননা আল্লাহ আপনার জন্য যেভাবেই হোক কোন না কোনভাবে উপায় বের করে দেন খাবারের... সেই আল্লাহই আপনার জন্য উত্তম সঙ্গী/সঙ্গিনী খুঁজে দিবেন।
তিনি আপনাকে এসব নিয়ে চিন্তায় অস্থির হতে বলেছেন? আল্লাহ ছাড়া কে আছে মুমিনের উত্তম অভিভাবক? 'হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল' বলে আপনি কি দোয়া করছেন না 'রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইয়ুনিউ ওয়া জা'আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা'?
তাহলে আপনি নিশ্চিত জেনে রাখুন, এই পৃথিবীর কোন এক কোণে আপনার জন্য একটা মানুষকে আল্লাহ বড় করছেন। আপনি যখন কান্নাকাটি করে অশ্রুভেজা প্রার্থনা করছেন যেন আল্লাহ তাকে সুরক্ষিত রাখেন, হেফাজত করেন এই সমাজের অশ্লীলতা/বেহায়াপনা থেকে, আল্লাহ তাকে যেন হতাশা থেকে দূরে রেখে ঈমানের পথে চলার তাওফিক দেন -- তিনিও কিন্তু আপনার জন্য বসে দোয়া করছেন আপনার মত করেই ইনশা আল্লাহ...
যে কাজের সাধ্য ও ক্ষমতা আপনার নেই, তা করতে গিয়ে অকারণে বোকা হতে যাবেন না। আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলুন। সবসময় আশাবাদী থাকুন। মনে রাখবেন, আল্লাহ আপনার জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাস সম্পর্কে ওয়াকিবহাল আছেন। আর তিনি তার প্রিয় বান্দাদেরকে কখনই অকল্যাণ হতে দিবেন না, দেন না। শুধু একটা চেষ্টাই করবেন -- আল্লাহর আরো কাছে যাওয়া, আরো বেশি প্রিয়ভাজন হওয়া, ঈমানকে আরো বাড়িয়ে আরো বেশি ইবাদাত করা... আল্লাহই আপনার অভিভাবক হয়ে যাবেন তখন, ইনশা আল্লাহ...
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
বর বা কনে খোঁজা কি বাজারে কোন প্রোডাক্ট কিনতে যাওয়ার মতন?
স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে যে মানুষটাকে সঙ্গী করে নিবেন, সে কিন্তু বাজারে গিয়ে ১০টা বেছে নেয়া কোন প্রোডাক্ট না। তিনি একজন মানুষ। আপনার জীবনের বাকিটা সময় তিনি আপনাকে সঙ্গ দিবেন, যতদিন আল্লাহ হায়াত রাখবেন দুনিয়ার বুকে। তবু সময়টা হয়ত ৪০-৫০ বছর বড়জোর। এটা যেমন ফেলে দেয়ার মতন কোন বিষয় অবশ্যই নয়, অতিরিক্ত চিন্তিত হবার বিষয়ও নয়।
আপনি যদি আপনার আত্মিক/শারীরিক/বুদ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতা হিসেব করেই নিজের সমমনা কাউকে খুঁজতে যা্ন... এবং একের পর এক মোটামুটি আপত্তিকর কিছু না পেলেও যদি মনে করেন, হয়ত এর চেয়েও ভালো কাউকে পেতে পারেন-- তাহলে হয়ত নিশ্চিত ঠকে যাবেন জীবনে।
এই পৃথিবীতে সত্যি অজস্র সুন্দর মনের, শরীরের, চিন্তার মানুষ আছে। কিন্তু সবার সাথে আপনার মিলবে না/ আপনার সাথে তাদের মিলবে না। আপনি খুঁজে দেখুন আপনার এই জীবনের সঙ্গী হিসেবে কাকে নিলে চলবে।
আবার বলছি, আপনি (হোক তা আপনার যোগ্যতার অনুপাতেই) যতই 'যোগ্যতম' মানুষ খুঁজতে যাবেন, আপনি খুঁজতেই থাকবেন হন্যে হয়ে। খুঁজে নিন দ্বীনদার কোন নারী/পুরুষ (এটাই মূল/আবশ্যক/প্রধান বিষয়), যার সাথে আপনার মিলবে, আপনার জান্নাতের পথযাত্রায় তিনি সঙ্গী হতে পারবেন, যার পরিবারের সাথে আপনার পরিবারের সম্পর্ক সৃষ্টি খুব বড় জটিলতার কারণ হয়ে আপনাদের সম্পর্ককে ধ্বংস করবে না...
নিয়্যাত রাখুন আল্লাহকে খুশি করতে, তার অনুগত বান্দা হিসেবে চরিত্র নিয়ে টিকে থাকতে, উত্তম বংশধর পৃথিবীতে আনার নিয়াতে আপনি একজন সঙ্গী খুঁজছেন, আল্লাহ ইনশা আল্লাহ আপনাকে পথ খুঁজে দিবেন।
আমাদের প্রিয়জনেরা পৃথিবীর মধ্যে সেরা মানুষ না হতে পারে, তারা আমাদের জন্য পৃথিবীর বুকে সেরা মানুষ। চারপাশে তাকিয়ে তাই ভুল বুঝে বোকা হবেন না। আল্লাহর পৃথিবী অনেক বড়, মানুষের গুণাবলীও অনেক। আল্লাহ যেন আপনাকে তার পছন্দের, ভালোবাসার মানুষটিকে মিলিয়ে দেন-- সেটা যেন হয় চাওয়া...
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/7017/safwanism/40958#.U0fgBvldVvB
আপনি যদি আপনার আত্মিক/শারীরিক/বুদ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতা হিসেব করেই নিজের সমমনা কাউকে খুঁজতে যা্ন... এবং একের পর এক মোটামুটি আপত্তিকর কিছু না পেলেও যদি মনে করেন, হয়ত এর চেয়েও ভালো কাউকে পেতে পারেন-- তাহলে হয়ত নিশ্চিত ঠকে যাবেন জীবনে।
এই পৃথিবীতে সত্যি অজস্র সুন্দর মনের, শরীরের, চিন্তার মানুষ আছে। কিন্তু সবার সাথে আপনার মিলবে না/ আপনার সাথে তাদের মিলবে না। আপনি খুঁজে দেখুন আপনার এই জীবনের সঙ্গী হিসেবে কাকে নিলে চলবে।
আবার বলছি, আপনি (হোক তা আপনার যোগ্যতার অনুপাতেই) যতই 'যোগ্যতম' মানুষ খুঁজতে যাবেন, আপনি খুঁজতেই থাকবেন হন্যে হয়ে। খুঁজে নিন দ্বীনদার কোন নারী/পুরুষ (এটাই মূল/আবশ্যক/প্রধান বিষয়), যার সাথে আপনার মিলবে, আপনার জান্নাতের পথযাত্রায় তিনি সঙ্গী হতে পারবেন, যার পরিবারের সাথে আপনার পরিবারের সম্পর্ক সৃষ্টি খুব বড় জটিলতার কারণ হয়ে আপনাদের সম্পর্ককে ধ্বংস করবে না...
নিয়্যাত রাখুন আল্লাহকে খুশি করতে, তার অনুগত বান্দা হিসেবে চরিত্র নিয়ে টিকে থাকতে, উত্তম বংশধর পৃথিবীতে আনার নিয়াতে আপনি একজন সঙ্গী খুঁজছেন, আল্লাহ ইনশা আল্লাহ আপনাকে পথ খুঁজে দিবেন।
আমাদের প্রিয়জনেরা পৃথিবীর মধ্যে সেরা মানুষ না হতে পারে, তারা আমাদের জন্য পৃথিবীর বুকে সেরা মানুষ। চারপাশে তাকিয়ে তাই ভুল বুঝে বোকা হবেন না। আল্লাহর পৃথিবী অনেক বড়, মানুষের গুণাবলীও অনেক। আল্লাহ যেন আপনাকে তার পছন্দের, ভালোবাসার মানুষটিকে মিলিয়ে দেন-- সেটা যেন হয় চাওয়া...
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/7017/safwanism/40958#.U0fgBvldVvB
সাদা ত্বকের সুন্দরী নাকি দ্বীনদার নারী? কী চাই আপনার?
ভাইজান, সুন্দরী বউয়ের অনেক শখ নাকি ভাই? সুন্দরের প্রতি আকর্ষণ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু তা সত্ত্বেও সমাজে কিন্তু 'সাদা চামড়া' সুন্দরী মেয়ের সংখ্যা কম। অন্যদিকে, সমাজে তো মুসলিমাহ মেয়ে খুঁজে পাওয়া কিন্তু দুষ্কর। তাদের মাঝে আপনি 'সুন্দরী' পেতে চাওয়া কতখানি স্বাভাবিক চাওয়া? যেই মেয়েটি কষ্ট করে দ্বীন শিখেছে, পালন করেছে। সে জীবনে পার্লারে যায়? আপনার সুন্দরের সংজ্ঞা কি বিলবোর্ড বা নাটক-সিনেমা দেখে শিখেছেন? ভেবে দেখবেন কিন্তু...
চিন্তা করে দেখুন, ইসলামের শিক্ষা অনুসারে কিন্তু আপনি প্রথমেই অবশ্যই আশা করবেন একজন দ্বীনদার নারী। তাকে পেলেই আপনার জীবন বর্তে যাবে। দ্বীনদারী ছাড়া অন্য কিছু দেখে বিয়ে করতে যাওয়া মাঝে জীবন বরবাদ করে দেয়া। রাসূল (সা) জানিয়ে গেছেন, একজন দ্বীনদার নারী এই দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ একজন পুরুষের জন্য। এরপরেও আপনি দ্বীনদারী ছাড়া অন্য কিছু খুঁজে দেখতেই পারেন। কিন্তু যদি সেই 'সাদা চামড়া' সুন্দরী না পেয়ে যদি কোন দ্বীনদার নারীকে দূরে ঠেলে দেন, তাহলে আপনি কি পাবেন জানেন? দেখা যাবে, দু'হাত ধূলি ধূসরিত হবার মতন লাঞ্ছনাই আপনার পিছু তাড়া করে ফিরবে...
দ্বীনদারীর কথা বাদ দিয়ে একটা 'সাদা ত্বকের' সুন্দরী মেয়ে ঘরে নিয়ে এসে হয়ত দেখবেন, এই মেয়েটির রূপের প্রতি তার সচেতনতা এতই বেশি যে আরো অজস্র কাজে সে অনীহা আর উপেক্ষা করে। সে রূপের চটক দেখলেও হয়ত একসময় আপনার বুক জ্বলবে, অশান্তিতে ঘাম হবে। চেহারা দিয়ে জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সাহায্য পাবেন না। সৌন্দর্যের চটক আর কয়দিন? অল্প কয়েক বছর পর চামড়া ঝুলে-কুঁচকে যাবে। কিন্তু দ্বীনদার নারীর উত্তম চরিত্রের সৌন্দর্য সময়ের সাথে সাথে কেবল বৃদ্ধিই পাবে।
তবে, দ্বীনদার একটা মেয়েকে যদি আপনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জীবনে সঙ্গী করতে চান, দেখবেন সে আপনার সংসারকে কেমন সুন্দর করে গুছিয়ে নেবে। আপনাকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিবে। জান্নাতে যখন আপনারা একসাথে পা রাখবেন, সেদিন আল্লাহ তাকে শ্রেষ্ঠ সুন্দরী আর অপরূপা যুবতী করে আপনার সঙ্গী দিবেন। পৃথিবীতে আপনার এই নিয়াতটুকুর কারণে আল্লাহ হয়ত আপনাকে কল্পনাতীত বিনিময় দান করবেন। তাই, নিজের চাওয়া বুঝতে আগে নিজের সাথেই বসুন। সুন্দরী চাইতে নিষেধ নেই, কিন্তু সেই সুন্দর আপনার কতটুকু দরকার? তার প্রয়োজন কি দ্বীনদারীর চেয়ে বড়? দ্বীনদারী বলতে আপনি কি বুঝেন? এটা জেনে তবেই কিন্তু জীবনসঙ্গিনী খুঁজতে যাবেন। নইলে কল্যাণের চেয়ে হয়ত অকল্যাণই বেশি হবে...
দ্বীনদারী নারীর বিপরীতে গোটা পৃথিবীর সমস্ত বেদ্বীন দুনিয়াকাঁপানো সুন্দরীদের জমা করলেও তাদের কোন ন্যুনতম মূল্য নেই আল্লাহর কাছে। হতভাগা মূর্খরা ছাড়া কেউ দ্বীনদার নারী পেলে দূরে ঠেলে দেয় না। দ্বীনদার নারীরাই হতে পারে সেই চক্ষুশীতলকারিনী, আপনার সন্তানদের উত্তম মা, একটি সুন্দর জাতি সৃষ্টি হবে তারই হাত ধরে। আল্লাহ আমাদের ভাইদেরকে দ্বীনদার স্ত্রী পাওয়ার যোগ্য করে দিন, তাদের ঈমানকে বৃদ্ধি করে দিন।
বিয়ের আগে যেসব বিষয়ে চিন্তা করে নেয়া উচিত
অনেকে বলেন, বিয়ের আগে প্রস্তুতি বা চিন্তাভাবনার আবার কি আছে? কিন্তু এখনকার সময়ে চারপাশে তাকালে দেখতে পাওয়া যায় বিয়ের মাধ্যমে বন্ধনের সংখ্যা যেমন বেশি তেমনি ভাঙ্গনের ঘটনাও অনেক বেশি। বেশি বয়সে বিয়ে হওয়ায় অনেকেরই ব্যক্তিজীবনের অনেক স্বভাব, আচার-ব্যবহার আর চরিত্র আর পরিবর্তন হয় না বলে দু'জনের পার্থক্যগত ব্যবধান বাড়তেই থাকে -- একসময় তা বিবাহবিচ্ছেদে রূপ দেয়। যে মানুষ দু'জন অনেক আশা-স্বপ্ন নিয়ে বন্ধন গড়ছেন, তাদের বিয়ে ভেঙ্গে যাক -- এটা শয়তান ছাড়া আর কেউ চায় না। অবশ্য অনেক সময় অমিলের বিয়ের কারণে অন্যায়, অত্যাচার ও পাপের মাত্রা বেড়ে যেতে থাকে তাই বিচ্ছেদ অনেক ভালো সমাধান।
তবে আমরা তো মুসলিম ভাইবোনদের মাঝে সুন্দর বিয়ে হোক সেটাই চাই। তাই ছোট ছোট বিষয় নিয়ে চিন্তা করে নিজেদেরকে গুছিয়ে নেয়া, চিন্তাগুলোকে সাজিয়ে নেয়া, নিজের চাওয়া ও পাওয়াগুলো নিরীক্ষা করে আগালে স্বাস্থ্যকর একটি দাম্পত্য সম্পর্ক গঠনে সুবিধা হবে বলে বিশ্বাস করি। এখনকার সময়ে যারা বলে যে বিয়ের আগে চিন্তাভাবনা করার তেমন কিছু নেই, তারা নিরেট মূর্খ এবং আকাট অপদার্থ ছাড়া আর কিছুই নয়।
বিয়ের ব্যাপারটা যদিও অনেক অনেক বিষয় মিলে হয়, তাতে দু'জন মানুষ এবং দু'টি পরিবারের বন্ধন হয় বলা যায়, তাই অনেক কিছুই খেয়াল করা প্রয়োজন। বিয়েতে মানুষের জীবনের, সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আলাদা আলাদা বিষয় গুরুত্ব পেয়ে যায় -- কিন্তু সেই দৃষ্টিকোণ থেকে নয় বরং ছোট ছোট কিছু বিষয় তুলে ধরবো যেগুলো চিন্তা করলে আপনার জন্য চিন্তা করতে সুবিধা হবে ইনশা আল্লাহ।
১) আপনার চাওয়া ও আকাঙ্খা নিয়ে আলাপ করে নিন:
মানুষ হিসেবে আমাদের অনেকেরই অনেক চাওয়া আছে, যার সবগুলোতেই একজন মানুষ কম্প্রোমাইজ করতে পারে না। আপনি আপনার সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর সাথে সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ করুন। আপনি কোন বিষয়ে ছাড় দিতে পারবেন না আর কোন বিষয়গুলো আপনার পছন্দ তা বলুন। হয়ত পছন্দের সবই আপনি তার কাছ থেকে পাবেন না, অন্তত তিনি চেষ্টা করবেন। আর যেসব বিষয় রাতারাতি অর্জন করা যায় না এবং আপনি তাতে ছাড় দিতে পারবেন না -- এমন বিষয় থাকলে নিষ্পত্তি করে নিন। নয়ত বিয়ের পর এইসব নিয়ে সাংসারিক জটিলতা শুরু হবে।
২. দু'জনের সম্মিলিত উদ্দেশ্য নিয়ে আলাপ করুন:
একজন মানুষের সাথে আপনি আপনার গোটা জীবনটা শেয়ার করতে যাচ্ছেন। আপনি আপনার জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে আলাপ করুন। তিন-চার বছর পর আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান। আলাপ করুন আপনি ক'জন সন্তান পেতে চান। জীবনে কোন কাজগুলো আপনার পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত। মুসলিম হিসেবে নিজের কোন দক্ষতাগুলো আপনি দ্বীন প্রচারে ব্যবহার করতে চান, তা নিয়ে অপরজনের সাথে আলাপ করুন। উদ্দেশ্য নিয়ে এই আলাপ দু'জনকে জানতে ও পরস্পরের প্রতি ধারণা পরিস্কার করতে সাহায্য করবে।
৩. সুন্দর উপায়ে কথা বলা এবং দ্বন্দ্ব নিরসন করা শিখুন:
আপনার সুন্দর করে, গুছিয়ে আর সুন্দর শব্দ দিয়ে বলা কথাগুলা জীবনসঙ্গীর জন্য খুবই স্বস্তিকর হবে। প্রিয়জনকে কিছু সুন্দর অনুভূতি কি উপহার দিতে চাননা? সৌজন্যতা শিখুন। অনুশীলন করুন। অনেকসময় আপনার মন খারাপ থাকলে দেখবেন আপনার প্রিয় মানুষটার একটু কথাই আপনার হৃদয়কে আনন্দে উদ্বেল করবে। আপনার মুখের কথা বলে দেয় আপনার হৃদয়ের কথাগুলো, তাই অন্তরকে পরিচ্ছন্ন আর ঝলমলে রাখুন। প্রিয়জনদের সাথে কথাবার্তায় আন্তরিকতা নিয়ে আসুন। বিষয়টাতে নজর দিন। সুন্দর কথা বলা মানুষের জীবনের এক অভাবনীয় কল্যাণ। বিষয়টাকে অবজ্ঞা করবেন না। হতে পারে আপনার চাঁছাছোঁলা কথার তীব্রতা আর ধার আপনার জীবনসঙ্গীর জন্য কষ্টের কারণ হবে। হয়ত তিনি আপনার উপরে আগ্রহ হারাবেন। সেই খারাপ পরিস্থিতি আমরা নিশ্চয়ই চাইনা...
৪. জীবনসঙ্গীর দ্বীনদারী সম্পর্কে জেনে নিন:
যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন, তার সম্পর্কে ভেবে নেয়ার জন্য এই বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্যাপারে আপনার অবহেলা, আপনার উপেক্ষা আপনাকে সীমাহীন আফসোসের দিকে ঠেলে দিবে, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে মানুষ আল্লাহকে ভয় করে না, সে আর কাউকে সমীহ করে না। যে আল্লাহকে ভয় করে না, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করতে স্যাক্রিফাইস করে না জীবনে সে কখনই তার 'কমফোর্ট জোনের' বাইরে সংসারের জন্য বা আপনার জন্য তেমন কিছুই করতে আগ্রহী হবে না। অন্যদিকে যে মানুষটা আল্লাহর দ্বীনের জন্য নিজেকে বদলে দিয়েছেন, নিজের পছন্দকে ত্যাগ করে আল্লাহর পছন্দকেই প্রাধান্য দিয়েছেন, এমন মানুষ ইনশা আল্লাহ আপনার জীবনের জন্য কল্যাণকর হবে।
দ্বীনদারী দেখার অনেক উপায় থাকতে পারে, আছে। অভিজ্ঞ এবং স্কলাররা সেই বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, যে মানুষটির সাথে আপনার বিয়ের আলাপ শুরু হয়েছে, তার জীবনে আল্লাহর দ্বীনকে চিনতে পেরে তিনি কতটুকু বদলেছেন নিজেকে, তা দেখে নিবেন। ধরুন কোন মানুষ হয়ত ছোট থেকেই দ্বীনের উপরে ছিলেন একটু-আধটু, তবুও যখন তিনি বুঝতে শিখলেন, তিনি অবশ্যই ইসলামকে নতুন এক মাত্রায় চিনবেন এবং সেই উপলক্ষে তার জীবনেও পরিবর্তন আসতে বাধ্য। তবে এখনকার সময়ে আমাদের সমাজে যারাই ইসলামকে জীবনবিধান হিসেবে মেনে নিয়েছেন, তারা অনেক বেশি কষ্ট-যন্ত্রণার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং তাদের জীবনেও অজস্র পরিবর্তন এসেছে।
আপনার সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী পুরুষ হলে খোঁজ নিয়ে জেনে নিতে পারেন তিনি মসজিদে নামাজে নিয়মিত কিনা। কর্মস্থলে, ইউনিভার্সিটিতে ফরজ নামাজে কেউ নিয়মিত হলে পরিচিতরা তার সেই পরিচয় পেয়ে যান। একইভাবে একটা মুসলিমাহ মেয়ের হিজাব বা নিকাব একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, তিনি এটা কীভাবে দেখেন তা জেনে নিবেন। ছেলে হলে দাড়ি রাখা সম্পর্কে তার মতামত শুনে নিতে পারেন। আপনার সম্ভাব্য সঙ্গীর মতামত জেনে নিতে পারেন মিউজিক সম্পর্কে, কনসার্ট, সুদী ব্যাংকিং, মেয়েবন্ধু বা ছেলেবন্ধু থাকার বিষয়ে, সেলেব্রিটি ও নায়ক-নায়িকা-মুভি নিয়ে। এছাড়া ইসলামী জীবনব্যবস্থা নিয়ে তিনি কী চিন্তা করেন, নিজে তিনি কীভাবে ইসলামের জন্য অবদান রাখতে চান সেইসম্পর্কে জেনে নিবেন।
ব্যক্তিগত আলাপের সুযোগ হলে জেনে নিতে পারেন তিনি কুরআন কতটুকু মুখস্ত পারেন। কুরআন নিয়ে তার স্বপ্ন কী এবং তার জন্য কতখানি কী করেছেন তিনি জীবনে। নামাজ এবং কুরআন নিয়ে ঢিলেমি থাকা কোন মুসলিমের উচিত নয়। এছাড়া মুসলিমদের বিয়ে সম্পর্কে তার পরিকল্পনা, মোহরানা, বিয়ে নিয়ে তার ধারণা। ছেলে হলে স্ত্রীর প্রতি তার কর্তব্য সম্পর্কে এবং মেয়ে হলে স্বামীর প্রতি তার কর্তব্য সম্পর্কে ইসলাম কী বলে তা তিনি জানেন কিনা তা জেনে নিবেন। দ্বীনদারী দেখেই বিয়ে করা উচিত। আল্লাহ আপনার দু'হাত কল্যাণে ভরে দিবেন ইনশা আল্লাহ।
লেখাটি নিচের লিঙ্ক থেকে সংগ্রহিতঃ
http://www.onbangladesh.org/blog/blogdetail/detail/7017/safwanism/40655
Subscribe to:
Posts (Atom)